লকডাউন এর মধ্যে জীবিকা নির্বাহ করে জীবন কে বাঁচানোর লড়াইয়ে এক সংগ্রামী ।
ঠিক তেমন না হলেও, শান্ত জর্দা নদীতে সেই ছবি ধরা পড়লো। জীবন আর জীবিকার তাগিদে সেই একই প্রতিচ্ছবি। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের শহীদগর পাড়ায় দেখা গেল সেই প্রতিচ্ছবি। বাঁশ লাগানো সেই মাছ ধরার জাল, ঠিক যেন বাঁশের ঠোঁট হাঁ করা, 'তিনকোনা বাঁশের ফ্রেমে বিপুল পাখার মতো' জাল, যার দুই ধার থেকে লম্বা দুটি বাঁশ আড়াআড়ি ভাবে যুক্ত, এটা অনেকটা হাতলের মতো। হাতল ধরে জাল ওঠানো নামানো হয়ে থাকে।হয়তো আইনের পথে অসঙ্গত হলেও লকডাউন এর মধ্যে জীবিকা নির্বাহ করে জীবন কে বাঁচানোর লড়াইয়ে এক সংগ্রামী।
জর্দা নদীতে ছোট পুটি, বোরোলি, খোকসা, চিংড়ি, সহ অনেক প্রজাতির মাছ দেখা যায়। আর এই মাছ বিক্রি করেই উপার্জনের রাস্তা করে নিয়েছেন এই ধরনের মানুষ।
তাই তো মনে পড়ে সেই বিখ্যাত লাইন "শরীর থাক আর যাক, এসময় (ইলিশের মরসুমে) একটা রাত্রিও ঘরে বসিয়া থাকিলে কুবেরের চলিবে না।" তাই ভোর রাত থাকেই মাছ ধরে সকালে সেই মাছ বিক্রি করছেন। মাছের পরিমান হয়তো খুবই কম তবুও আশা যদি পরের দিন একটু বেশী মাছ ধরা যায়।
এযেন Hoping against hope,
হতাশ মুহূর্তেও আশাই বাঁচিয়ে রাখে।
#speakit
0 মন্তব্যসমূহ
Thankyou for your Feedback !